উদ্বোধনের দেড় বছরেই পরিত্যক্ত কমিউনিটি হল, সরকারি অর্থের অপচয়ের অভিযোগ

Chandan Das

এসএন মিডিয়া,নিউজ ডেস্ক:তৃণমূল আমলে ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে কোচবিহারের কাকরীবাড়ি এলাকায় ধুমধাম করে উদ্বোধন হয়েছিল ভবনটির। উদ্বোধনের পর হাতে গোনা কয়েকদিন লোকজনের আনাগোনা দেখা গেলেও দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে দোতলা ভিত্তিবিশিষ্ট এই কমিউনিটি হল। এত অল্প সময়ের মধ্যেই কেন ভবনটির এমন বেহাল দশা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় বছরখানেক ধরে বন্ধ রয়েছে কমিউনিটি হলটি। মূল প্রবেশপথে পা রাখলেই চোখে পড়ে ভবনটির করুণ চিত্র। দীর্ঘদিন কারও যাতায়াত না থাকায় প্লেভার্স ব্লক ভেদ করে বেরিয়ে এসেছে বড় বড় ঘাস ও গাছপালা। ভবনের অধিকাংশ জানালার কাচও ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। গোটা চত্বর এখন ঝোপঝাড় ও জঙ্গলে ঢেকে গিয়ে কার্যত পরিত্যক্ত ভবনের চেহারা নিয়েছে।

কবে ফের এই কমিউনিটি হল সংস্কার করে চালু করা হবে, সে বিষয়ে প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট কোনও বক্তব্য মেলেনি। সরকারি অর্থ খরচ করে তৈরি হওয়া একটি ভবনের এমন পরিণতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।

এক স্থানীয় বাসিন্দার কথায়, “প্রায় বছরখানেক ধরে ভবনটি বন্ধ হয়ে রয়েছে। লোকজনের যাতায়াত না থাকায় গোটা চত্বরে ঘাস গজিয়েছে। আশা করছি, দ্রুত ভবনটি সংস্কার করে ফের চালু করা হবে।”

এই ঘটনায় তৃণমূল আমলে উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ অপচয়ের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। বিজেপির জেলা সভাপতি বলেন, “তৃণমূল আমলে অনেক দুর্নীতি হয়েছে। আদৌ সেখানে কেন কমিউনিটি হল তৈরি করা হয়েছিল, কিংবা ওই এলাকায় আগে থেকেই কমিউনিটি হলের প্রয়োজন ছিল কি না, সেটাও জানা নেই। বিষয়টি এখন সামনে এসেছে। ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিকে বিষয়টি দেখার জন্য বলব।”

উদ্বোধনের পর অল্প সময়ের মধ্যেই একটি সরকারি কমিউনিটি হল এভাবে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় প্রকল্পটির প্রয়োজনীয়তা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সরকারি অর্থের সদ্ব্যবহার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

Share This Article
Leave a comment